অ্যাকাউন্টটা নিজের মতো গুছিয়ে নেওয়া

প্রত্যেক ব্যবহারকারী নিজের নাম আর যোগাযোগের তথ্য নিজেই বদলাতে পারেন, নিজের একটি ছবি বসাতে পারেন আর সেটিংসের পাতা থেকে অ্যাকাউন্টের বিষয়গুলো দেখে নিতে পারেন। আর অ্যাকাউন্টে ঢোকার পর কে কোন পর্দায় গিয়ে পৌঁছাবেন, সেটিও তাঁর ভূমিকা অনুযায়ী ঠিক হয়ে যায়।

নিচের পাতাগুলোতে অ্যাকাউন্ট নিয়ে নিজের কাজগুলো আলাদা করে বলা আছে: প্রোফাইল বদলানো, ছবি বসানো, স্বাগত বার্তা, সেটিংসের পাতা আর ঢোকার পরের পর্দা।

এই অংশের ফিচার

  • সবার জন্য এক পর্দা নয়

    অ্যাকাউন্টে ঢুকে পড়ার পর শিক্ষক আর শিক্ষার্থী সম্পূর্ণ আলাদা আলাদা পর্দায় গিয়ে পৌঁছান, কারণ দিনের শুরুতে এই দুজনের দরকারি জিনিসগুলো দুরকম।

  • সব সেটিংস এক পাতায়, ভাগ করা

    অ্যাকাউন্ট, বিজ্ঞপ্তি, চেহারা আর নিরাপত্তা, নিজের সব সেটিংস একটিমাত্র পাতায় ভাগ করে সাজানো থাকে, তাই দরকারি সেটিংসটি খুঁজে বের করতে সময় লাগে না।

  • নিজের তথ্য ঠিক করতে কাউকে বলতে হয় না

    নিজের নাম, নিজের ফোন নম্বর আর যোগাযোগের তথ্য নিজের সেটিংসের পাতা থেকেই শুধরে নিতে পারেন। এর জন্য আর কারও অনুমতির অপেক্ষায় বসে থাকতে হয় না।

  • নামের পাশে একটা মুখ থাকা ভালো

    নিজের একটি ছবি বসিয়ে নিন, যাতে ক্লাসের হাজিরার তালিকায় আর বার্তার পাশে আপনাকে সহজেই চেনা যায়। ছবিটি আকারে পাঁচ মেগাবাইট পর্যন্ত হতে পারে।

  • তিনশো জনকে হাতে হাতে জানানো যায় না

    প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে অনেক সদস্য যোগ করলে প্রত্যেকের জন্য স্বাগত বার্তাটি নিজে থেকেই তৈরি হয়ে যায়, অ্যাডমিনকে একজন একজন করে লিখতে বসতে হয় না।

সাধারণ প্রশ্ন

প্রোফাইলের তথ্য কে বদলাতে পারেন?

ব্যবহারকারী নিজেই। নিজের নাম আর যোগাযোগের তথ্য নিজের সেটিংসের পাতা থেকে বদলে নেওয়া যায়।

প্রতিষ্ঠানের অ্যাডমিনও কি আমার তথ্য বদলাতে পারেন?

সদস্য তালিকা থেকে অ্যাডমিন নাম, ফোন নম্বর আর ভূমিকা বদলাতে পারেন। সেটি প্রশাসন বিভাগে আলাদা করে বলা আছে।

ঢোকার পর সবাই কি একই পর্দা দেখেন?

দেখেন না। শিক্ষক, শিক্ষার্থী আর অভিভাবকের জন্য ঢোকার পরের পর্দা আলাদা, কারণ তাঁদের কাজও আলাদা।

আপনার প্রতিষ্ঠানে কীভাবে কাজ করবে, দেখে নিন

একটি ডেমো বুক করুন, আমরা আপনার ক্লাস আর শিক্ষার্থীদের উদাহরণ ধরে দেখিয়ে দেব।

WhatsApp